adimage

২৫ অগাস্ট ২০১৯
বিকাল ১২:৩৫, রবিবার

নবাবগঞ্জে মোমবাতির আগুনে দগ্ধ জুঁই বাঁচতে চায়

আপডেট  12:06 PM, Jun ০৬ ২০১৯   Posted in : জাতীয় দোহার-নবাবগঞ্জের সংবাদ    

নবাবগঞ্জেমোমবাতিরআগুনেদগ্ধজুঁইবাঁচতেচায়

প্রিয় বাংলা অনলাইন.

ঢাকার নবাবগঞ্জে মোমবাতির আগুনে দগ্ধ শিশু জুঁই আক্তার (৮) বাঁচতে চায়। আগুনের লেলিহান শিখায় ঝলসে গিয়েছিল শিশু জুইয়ের শরীর। শিশুটির শরীরের ৩৫ ভাগ পুড়ে যাওয়ায় ৩মাস ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। মেয়ের চিকিৎসার অর্থ যোগাতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন মা।

গত ৩ মার্চ রোববার সন্ধ্যায় উপজেলার কাশিমপুর এলাকায় নিজ বাড়িতে মোমবাতি থেকে শরীরের জামায় আগুন লেগে দগ্ধ হয়ে এ ঘটনা ঘটে। সে উপজেলার কাশিমপুর গ্রামের কবরস্থান সংলগ্ন মো. জুলহাসের মেয়ে। অগ্নিদগ্ধ জুঁই দোহার উপজেলার ধিৎপুরের কুয়েতি মহিলা মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

জানা যায়, মাদরাসা বন্ধ থাকায় মেয়ে আমার বাড়িতে আসে। এদিন সন্ধ্যায় জুঁই বাড়িতে একা একা খেলা করছিল। এ সময় পানির তৃষ্ণা পেলে পানি খাওয়ার জন্য গেলে মোমবাতির আগুন পিছন থেকে তার পরনের জামায় লেগে পুরো শরীর ঝলসে যায়। তার চিৎকারে আসে-পাশের লোকজন দৌঁড়ে এসে আগুন নেভালেও  শিশুটিকে আগুনের হাত থেকে রক্ষা করতে পারেনি। তাৎক্ষনিক তাকে উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তার অবস্থার অবনতি দেখে হাসপাতালের চিকিৎসক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করেন। এরপর থেকে সেখানেই চিকিৎসাধীন আছে ছোট মেয়েটি।

এখানে শেষ নয় পরিবারের দুঃখের কাহিনী। এর আগে জুইয়ের বাবা জুলহাস মিয়া রাজমিস্ত্রির কাজ করতে গিয়ে ৪তলা থেকে পড়ে কোমরের হাড় ভেঙ্গে বেকার হয়ে পড়েন। সংসারে একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে কর্মহীন হয়ে পড়ায় অর্থাভাবে ছিল পুরো পরিবার। এ ঘটনার  দুই মাস আগে দুবাই চাকরিতে যান জুঁইয়ের মা তাছলিমা বেগম। মেয়ের জীবনের কঠিন সময়ে পাশে থাকতে দুবাই থেকে চাকরি ছেড়ে চলে আসায় তিনিও বেকার হয়ে যান।

এব্যাপারে কথা হয় জুইয়ের মা তাছলিমা বেগমের সাথে। মেয়ের দগ্ধ ছবি দেখিয়ে তিনি বলেন, আমার মেয়ে ছোট। ও বাঁচতে চায়। সব সময় আমাকে বলে আমি আমি ভাল হয়ে যাব তো। চিকিৎসা করতে অনেক টাকার প্রয়োজন। এখন প্রতিদিন ৪ হাজার টাকা খরচ হয় ওর পিছনে। নবাবগঞ্জের অনেক বড় লোকের বাড়িতে গেছি। বেশির ভাগই দূর দূর করে তাড়িয়ে দিয়েছে। আমি আর পারছি না।
হতদরিদ্র এই পরিবারের পক্ষে সন্তানের চিকিৎসার খরচ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই এর চিকিৎসার জন্য সকল হৃদয়বান ও দানশীল ব্যক্তির আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন তার অসহায় পরিবার।

জুইকে সাহায্য করতে যোগাযোগ করতে পারেন প্রিয় বাংলা অফিসে বা সরাসরি জুইয়ের মায়ের সাথে। জুইয়ের মা’র বিকাশ নাম্বার-০১৯২-১৬৯৬৩১৫।


সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul