adimage

২১ নভেম্বর ২০১৯
সকাল ১২:২৪, বৃহস্পতিবার

নবাবগঞ্জে উদ্বোধনের পরপরই বন্ধ বিআরটিসি সার্ভিস!

আপডেট  12:24 PM, অক্টোবর ১৩ ২০১৯   Posted in : জাতীয় আঞ্চলিক ঢাকা দোহার-নবাবগঞ্জের সংবাদ    

নবাবগঞ্জেউদ্বোধনেরপরপরইবন্ধবিআরটিসিসার্ভিস!

প্রিয় বাংলা অনলাইন:
গুলিস্তান-বান্দুরা সড়কে উদ্বোধনের দুই ঘন্টা পরই বন্ধ হয়ে গেছে আকাঙ্খিত বিআরটিসি বাস সার্ভিস। গত শুক্রবার সকাল নয়টার দিকে রাজধানীর গুলিস্তান থেকে এ সার্ভিসের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের দুই ঘন্টা পরই বন্ধ হয়ে যায় বিআরটিসির এসি বাস সার্ভিস।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উদ্বোধনের পরপর সকাল নয়টার দিকে বিআরটিসির একটি এসি বাস যাত্রী নিয়ে ঢাকার গুলিস্তান থেকে ছেড়ে আসে। ওই বাসটি খারশুর এলাকায় এলে তা আটকে দেয় এন. মল্লিক ও যমুনা পরিবহনের মালিক এবং শ্রমিকরা। এসময় বাসে থাকা যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ে। ভাংচুর করা করা বিআরটিসি বাসটি।

বিআরটিসির মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহ জানান, এন.মল্লিক ও যমুনা পরিবহনের মালিক ও শ্রমিকরা বিআরটিসি বাসের থাকা শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের মারধর করে বাসটি আটকে রাখে ভাংচুর করে। হামলায় আহত হয় বিআরটিসি বাসের সুপারভাইজার আবু তাহের। এছাড়াও বাসে থাকা যাত্রী, শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের নানাভাবে হেনস্তা করে।

হামলার ঘটনার সময় এন. মল্লিক পরিবহনের মালিক নার্গিস মল্লিকের ছেলে রবিন মল্লিক, ইসমাইল মল্লিক এবং তাদের কয়েকজন কর্মচারী এবং যমুনা পরিবহনের মালিক চন্দন বাবু সহ অজ্ঞাত আরো ১৫/২০ জন ছিল বলে অভিযোগ করেন ওই কর্মকর্তা।

মো. হাবিবুল্লাহ আরো বলেন, বিআরটিসির রুট পারমিট নেই এমন অযুহাতে এন. মল্লিক ও যমুনা পরিবহনের ক্যাডাররা বিআরটিসি বাসটির গতিরোধ করে অতর্কিতভাবে ভাংচুর করেছে। যদি বিআরটিসির রুট পারমিট না থাকে তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন তা বন্ধ করে দিতে পারে। কিন্তু এন. মল্লিক বা যমুনা পরিবহন কোন অধিকারে এমনটা করলেন তা আমাদের বোধগম্য নয়।

এ বিষয়ে যমুনা পরিবহনের মালিক চন্দন মন্ডল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি শুনেছি কে বা কারা বিআরটিসি এসি বাস সার্ভিসটি বন্ধ করে দিয়েছে। এর সাথে আমার বা যমুনা পরিবহনের কোন যোগসূত্র নেই।”

এ বিষয়ে জানতে এন. মল্লিক পরিবহনের কর্ণধার নার্গিস মল্লিককে রবিবার বেলা চারটার দিকে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

তবে এ ঘটনায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি বলে জানা যায়। তবে বিআরটিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য যে, এর আগেও গুলিস্তান-বান্দুরা সড়কে বিআরটিসি বাস চলাচল শুরু করেছিল। কিন্তু অন্যান্য পরিবহন মালিকদের দৌরাত্ম্যে ও অসহযোগিতার কারণে তা টিকে থাকতে পারেনি। অভিযোগ রয়েছে, এন. মল্লিক পরিবহন এককভাবে আধিপত্য বিস্তার করে পরিবহন ব্যবসা করে চলছেন এ সড়কে।

সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul