adimage

১০ ডিসেম্বর ২০১৯
সকাল ০৬:১৯, মঙ্গলবার

জনবান্ধব রাজনীতির পুরস্কার পেল ‘নির্মল গুহ’

আপডেট  11:57 AM, নভেম্বর ১৬ ২০১৯   Posted in : জাতীয় রাজনীতি দোহার-নবাবগঞ্জের সংবাদ    

জনবান্ধবরাজনীতিরপুরস্কারপেল‘নির্মলগুহ’

অমিতাভ অপু: 

আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ঢাকার দোহারের কৃতি সন্তান নির্মল রঞ্জন গুহ। শনিবার বিকেলে স্বেচ্ছাসেবকলীগের সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে নির্মল রঞ্জন গুহকে সভাপতি ও আফজালুর রহমান বাবুকে সাধারণ সম্পাদক করে আশিংক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

দীর্ঘ সাত বছর পর স্বেচ্ছাসেবকলীগের জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল। শনিবার বেলা ১১ টায় সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  বিকেলে দ্বিতীয় অধিবেশনে নির্বাচিত করা হয় সংগঠনটির আংশিক কমিটি।

নির্মল রঞ্জন গুহ স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে। যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অভিনন্দনে মুখর অনেকে। নেতাকর্মীরা মনে করছেন নেত্রী সঠিক মূল্যায়নই করেছেন এই জনবান্ধব রাজনীতিবিদকে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৭৯ সালে স্কুল জীবন থেকেই ছাত্র রাজনীতি যুক্ত হন নির্মল রঞ্জন গুহ। নানা প্রতিবন্ধকতা, জেল-জলুম, অত্যাচারকে জয় করে ধাপে ধাপে এখন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি।

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার নয়াবাড়ি ইউনিয়নের স্বণামধন্য ‘গুহ’ পরিবারের সন্তান। বাবা নিখিল রঞ্জন গুহ ছিলেন স্কুল শিক্ষক। ১৯৭৯ সালে ইব্রাহিমপুর ঈশ্বরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় রাজনীতিতে পথচলা শুরু নির্মল রঞ্জন গুহের। শুরুটা হয় নয়াবাড়ি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদ দিয়ে। এরপর ১৯৮৩ সালে মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজে পড়া অবস্থায় ওই কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালে সভাপতি নির্বাচিত হন কলেজ ছাত্রলীগের। ধাপে ধাপে ১৯৮৭ সালে মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থায় ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯২ থেকে ১৯৯৪ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ৬৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সহ সভাপতি ছিলেন নির্মল রঞ্জন গুহ। ছাত্র রাজনীতি শেষে টানা তৃতীয়বারের মতো ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। এরপর থেকে শুরু হয় বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগকে ঘিরে তাঁর বর্ণিল রাজনৈতিক জীবনের নতুন অধ্যায়। প্রথমে ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক পদ দিয়ে শুরু। এরপর ২০০৩ সালে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি পরবর্তীতে সিনিয়র সহসভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। সবশেষ কমিটিতেও সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।

নির্মল রঞ্জন গুহের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবক লীগ ছিল দোহার-নবাবগঞ্জের সবচেয়ে সক্রিয় সংগঠন। সাধারণ ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাবমূর্তি উজ্জল রাখতে সদা সচেষ্ট ছিলেন নির্মল রঞ্জন গুহ। দূর্ভোগ, দূর্যোগ, উৎসব-পার্বন, ঈদ কিংবা পূজা সবক্ষেত্রেই শেখ হাসিনাকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়ান নির্মল গুহ। যে কারণে তাঁকে ঘিরে তৈরি হয়েছে ভালবাসার অন্যরকম গল্প। আগেই আলোচনা ছিল, তিনিই হতে পারেন বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগের ‘সভাপতি’। অবশেষে তিনিই নির্বাচিত হলেন স্বেচ্ছাসেবকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি।

নির্বাচিত হওয়ার পর নির্মল রঞ্জন গুহ প্রিয় বাংলা নিউজকে বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা জানেন কাকে কখন মূল্যায়ন করতে হবে। স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীদের চাওয়াকে তিনি মূল্যায়ন করেছেন। আমি কৃতজ্ঞ বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে।

তিনি দোহার নবাবগঞ্জবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, দোহার ও নবাবগঞ্জের নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানাই সব সময় আমার পাশে থাকার জন্য। তৃণমূল থেকে উঠে আসা একজন কর্মী হিসেবে তৃণমূল নেতাকর্মী শুধু নয় সাধারণ মানুষের ভালবাসা দোয়া চাই। সবাইকে নিয়ে গড়তে চাই বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের বাংলাদেশ।


সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul