adimage

২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯
সকাল ১০:৩৪, শনিবার

দোহারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ বন্ধ

আপডেট  02:31 AM, অগাস্ট ২৭ ২০১৯   Posted in : দোহার-নবাবগঞ্জের সংবাদ    

দোহারেপ্রশাসনেরহস্তক্ষেপেবাল্যবিবাহবন্ধ

প্রিয় বাংলা অনলাইন:

ঢাকার দোহার উপজেলার প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহ থেকে রক্ষা পেল নাদিয়া আক্তার নদী (১৬) নামে এক ছাত্রী। সোমবার উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের ঘারমোড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নাদিয়া আক্তার নদী ঘাড়মোড়া গ্রামের শেখ আলাউদ্দিনের মেয়ে এবং উপজেলার ইসলামবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘারমোড়া গ্রামের বাসিন্দা শেখ আলাউদ্দিনের নাবালিকা মেয়ে নাদিয়া আক্তার নদীর সাথে পাশ্ববর্তী নবাবগঞ্জ উপজেলার এক ছেলের বিয়ে ঠিক হয়। সোমবার গায়ে হলুদের আয়োজনের ব্যস্ত ছিল মেয়ের পরিবার। স্থানীয়রা বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানালে দ্রুত আলাউদ্দিনের বাড়িতে আসেন দোহার উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র। বিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রেশন কপি অনুযায়ী মেয়েটির বয়স ১৬ বছর হওয়ায় জন্ম সনদ চান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। জন্ম সনদ না দেখিয়ে একটি নোটারী কপি দেখান নদীর পরিবার। মেয়েটি নাবালিকা হওয়ায় বাল্য বিবাহ বন্ধ করে দেন প্রশাসন।

বিষয়টি আইনের পরিপন্থী হওয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে মেয়েটির পরিবারকে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ এর ৫(১) ধারায় অপরাধ ও (৩) ধারায় শাস্তি হিসেবে ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড ও মুচলেকার মাধ্যমে বিয়ে বন্ধ করে দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

এসময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে বাধ্য বিবাহের প্রতিবাদ করেন। পরে মেয়ের বাবা আলাউদ্দিন অঙ্গিকার করেন প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত তার মেয়েকে বিয়ে দিবেন না।

পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র সাংবাদিকদের বলেন, আমরা খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিয়েছি। কিন্তু কিছু অসাধু আইনজীবিরা অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে মেয়েদের বয়স নোটারীর মাধ্যমে বৃদ্ধি করে প্রাপ্ত বয়স্ক বানিয়ে দেন যা আইনের পরিপন্থী। এদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। কোথাও কোন বাল্যবিবাহকে প্রশ্রয় দেয়া হবেনা বলেও জানান তিনি।


সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul