adimage

১০ ডিসেম্বর ২০১৯
সকাল ০৬:২২, মঙ্গলবার

“আমি আপনাদের নির্মল, নদীভাঙা মানুষের নির্মল”

আপডেট  11:29 AM, নভেম্বর ২৮ ২০১৯   Posted in : জাতীয় দোহার-নবাবগঞ্জের সংবাদ    

“আমিআপনাদেরনির্মল,নদীভাঙামানুষেরনির্মল”

নিজস্ব প্রতিবেদক:
নির্মল রঞ্জন গুহের রাজনৈতিক জীবনের শুরুটা হয়েছিল দোহার উপজেলার নয়াবাড়ি ইউনিয়ন থেকেই। ১৯৭৯ সালে শুরু করেছিলেন ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদকের পদ দিয়ে। আর ২০১৯ সালের আজকের দিনে সেই প্রিয় সেই গ্রামেই ফিরেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের মতো বৃহৎ একটি সংগঠনের সর্বোচ্চ পদ নিয়ে। সঙ্গত কারনেই নয়বাড়ির ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মাঝে আনন্দের ধারা ছিল একটু অন্যরকম। শুধু নেতাকর্মী নয় সাধারণ মানুষের মাঝে ছিল উচ্ছ্বাসও। বৃহস্পতিবার শত শত মোটর সাইকেল ও গাড়িবহর নিয়ে  হাজার হাজার নেতাকর্মী বেষ্টিত হয়ে সেই নির্মল গুহ নিজ গ্রাম নয়বাড়ি ইউনিয়নে ধোয়াইরে পৌছলে তাকে পুস্প বর্ষণে বরণ করে নেন গ্রামের বাসিন্দারা। সকলের চোখে মুখে ছিল খুশির ঝিলিক। স্বেচ্ছাসেবক লীগের মতো একটি সংগঠনের সভাপতি পদে তাদের নয়াবাড়ির সন্তান এমন আলোচনায় সরব ছিল অনুষ্ঠানস্থল। এলাকার কৃতি সন্তান নির্মল গুহকে এক নজর দেখতে গ্রামের সকলে ছুটে আসেন তাঁর বাড়িতে।

এ সময় নির্মল রঞ্জন গুহ বলেন, আমি আপনাদের নির্মল, নদীভাঙা মানুষের নির্মল। অতীতে যেমন ছিলাম, এখনও আছি ভবিষ্যতে থাকব। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি সকলকে নিয়ে ধ্বংসের নয়, ঐক্যের রাজনীতি করতে চাই। আমি আমাদের প্রিয় নেতা সালমান এফ রহমান , ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুব ভাইসহ সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করতে চাই। তিনি নেতাকর্মীদেরও বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য অনুরোধ করেন। এসময় তিনি থানা আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য কমিটিতে পরীক্ষিত এবং ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করার জন্য সালমান এফ রহমান এমপির প্রতি আহবান জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু, ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমানসহ  দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

উল্লেখ্য যে, পরিবার নিয়ে চার চারবার নদী ভাঙনের শিকার হলেও শত অভাব-অনটনেও রাজনীতিতে নির্মল গুহের ছিল সক্রিয় অংশগ্রহণ। ছিল সাধারন মানুষের পাশে থেকে তাদের সহযোগিতা করার প্রত্যয়। নিজের ঘরে আর্থিক স্বাচ্ছন্দ না থাকলেও ভাঙ্গন কবলিত মানুষকে একটু হলেও স্বাচ্ছন্দ ও সহযোগিতা করার চিন্তা চেতনা কাজ করত তাঁর মনে। সঙ্গত কারণেই রাজনীতি করে বিত্ত বৈভবের মালিক হতে হবে এমন চিন্তাধারার ধারে কাছেও দেখা যায়নি তাকে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৭৯ সালে স্কুল জীবন থেকেই ছাত্র রাজনীতিতে উঠে আসেন নির্মল গুহ। নানা প্রতিবন্ধকতা, জেল-জলুম, অত্যাচারকে জয় করে জনবান্ধব নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেণ তিনি।


সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul